আল্লাহ মশা সৃষ্টি করেছেন কেন? জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন!




পৃথিবীর প্রত্যেকটা মশার শরীরে ডিজিটাল এক্সরে মেশিন আছে যার ফলে রাতের আধারে ও তারা মানুষের চামড়া কে শনাক্ত করে সেখান থেকে রক্ত চুষে খেতে পারে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ কেন মশার কথা উল্লেখ করেছেন এই প্রশ্নের উত্তর জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন প্রিয়দর্শক একটি মশার শরীরের ভিতরে এত বেশি পরিমাণে বিশেষত্ব লুকিয়ে রয়েছে। 

যা অধ্যায়ন করলে জানলে আপনি পুরো বিশ্বের নানান রহস্যের সন্ধান পেয়ে যাবেন আপনি জেনে অবাক হবেন হাতির চেয়েও মশার শরীরে বেশি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রয়েছে কুরআনুল কারীমে যখন আল্লাহ তায়ালা মশার উল্লেখ করেছিলেন তখন কাফেরেরা বলতে শুরু করে 

যে আল্লাহ তাআলা এত মহান ও অসীম ক্ষমতাধর সত্তা কোরআনের মত এত মহান কিতাবে নিজের ক্ষমতা ও মহত্ত্বের কথা বলতে গিয়ে মশার মতো এমন তুচ্ছ ক্ষুদ্র একটি প্রাণীর উদাহরণ কেন দিয়েছেন তখন আল্লাহ তা'আলা তাদের জবাব দিতে গিয়া আয়াত নাযিল করেন 

আল্লাহ বলেন আল্লাহতালা অতি ক্ষুদ্র প্রাণী মশার উদাহারণ দিতেও কোনো লজ্জাবত করেন না অথবা তারচেয়েও ক্ষুদ্র কোনো কিছুর উদাহরণ দিতে ও আল্লাহ লজ্জাবোধ করেন না। যারা ইমান এনেছে তারা তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে নাজিল কিত সত্য কে বিশ্বাস করে 

প্রিয় দর্শক একবিংশ শতাব্দীতে এসে বিজ্ঞানীরা মশা নিয়ে উঠে পড়ে লেগেছে আর গবেষণা করে তারা এমন তথ্য পেয়েছে এবং মশা নিয়ে যত বিজ্ঞানী গবেষণা করেছে এদের প্রত্যেকেই কালেমা পড়ে মুসলমান ধর্ম গ্রহণ করেছে সুবহানাল্লাহ জার্মান একজন বিজ্ঞানী যিনি মশা নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন তিনি বলেছিলেন নিঃসন্দেহে একটি ক্ষুদ্র ও নগন্যপ্রাণী কিন্তু চিন্তা-গবেষণা করলে এর মধ্যেও আল্লাহর অনেক নিদর্শন আপনি দেখতে পাবেন আল্লাহ তাআলা কুরআনে মশার জন্য বায়োদাতা শব্দটি ব্যবহার করেছেন এবং এই শব্দটি মূলত স্ত্রী বাচক শব্দ যার অর্থ হচ্ছে 

যে সকল মশা মানুষকে কামড়ায় এবং মানুষের রক্ত চুষে খেয়ে থাকে সেগুলো মূলত স্ত্রী মশা পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার প্রজাতির মশা রয়েছে এবং এই সব প্রজাতির মধ্যে শুধুমাত্র স্ত্রী মশায় মানুষ পশু পাখির রক্ত চুষে খায় আর পুরুষ মশারা গাছপালা ও ফলের রস চুষে খায় জার্মান সেই বিজ্ঞানী বলেন আমি সাথে সাথেই মুসলিম ধর্ম গ্রহন করেছি যখন মাইক্রোস্কোপের এই তথ্য চৌদ্দশত বছর পূর্বে পবিত্র কোরআনে আমি খুঁজে পেয়েছি মশা অতি ক্ষুদ্র হলেও এর মাঝে এমন সব জিনিস আছে যা নেই স্বয়ং হাতির কাছেও মশা রয়েছে দুটো এন্টেনা যা দিয়ে  


সে আশপাশের সব কিছুর অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারে এমনকি একটা মশা মানুষের শরীরের রক্ত জীবাণুযুক্ত না পরিষ্কার সেটাও জানতে পারে তাও আবার 70 ফিট দূর থেকেই এই এন্টেনার মাধ্যমে সে জানতে পারে যে একটা মানুষের রক্ত পরিশুদ্ধ না জীবাণুযুক্ত যে মানুষকে মশা বেশি কামড়াবে বুঝতে হবে তার শরীরের রক্ত বেশি পরিশুদ্ধ এছাড়াও মশা তার স্বয়ংক্রিয় সেন্সর দিয়ে তাপমাত্রার রেকর্ড করার ক্ষমতা রাখে। তবুও কিছু নাস্তিক বলে বেড়াচ্ছে আল্লাহ কেন এত ক্ষুদ্র মশার নাম পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করেছেন বিজ্ঞান গবেষণা 
করে দেখেছে একটি মশার 100 চোখ থাকে যার সবগুলোই তার মাথায় থাকে একটি মশার 48 টি দাঁত থাকে এবং মানুষের শরীরে একটি হাট থাকলেও মশার তিনটি হার্ট থাকে এবং তিনটি আলাদা আলাদা ধরনের মশার সুরে 6টি ছুরি রয়েছে প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা কাজ রয়েছে মশার 2 পাশ 3 স্তরের দুটি ডানা রয়েছে

মশার ভিতরে একটি সম্পূর্ণ তাপ নিয়ন্ত্রণ করার ব্যবস্থা আছে এবং এর মাধ্যমে মশা অন্ধকারে মানুষের গায়ের রং চিনে নেয়। মশার সুচে একটি চেতনানাশক ব্যবস্থা রয়েছে যার ফলে কামড়ানোর সময় মানুষের ব্যথা অনুভুত হয় না এবং এটি কামড়ানোর জায়গার রক্তচোষার পর ফুলে যায় একটি মশার ভিতরে  

একটি রক্ত বিশ্লেষণ করার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা থাকে এমনকি সেটা 72 ফিট দূর থেকে কার্যকর থাকে অর্থাৎ সর্বোচ্চ 72 ফিট দূর থেকে মশা তার সেন্সর  ব্যবহার করে নির্ধারণ করতে পারে যে ওই ব্যক্তির শরীরে রক্ত বিশুদ্ধ নাকি জীবাণুযুক্ত মশা সবার রক্ত চুষে খায় না যদি আপনাকে বেশি মশা কামড় দিয়ে থাকে মনে রাখবেন 

আপনার শরীরের রক্ত বিশুদ্ধ বিজ্ঞানের গবেষণায় সবচেয়ে আশ্চর্যজনক যে বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে 
তা হলো যে একটি মশার উপরের যে ডানা রয়েছে এটা কিন্তু অনেক হালকা এবং এই মশার ডানার মধ্যে মাইক্রোস্কোপিক প্যারাসাইট থাকে এটি এমন একটি জীদ যা মশার চেয়েও ছোট মাঝে মাঝে এই ডানা প্যারাসাইট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় অর্থাৎ মশা না চাইলেও তার ডানা উড়িয়ে তাকে নিয়ে যেতে পারে আল্লাহু আকবার যেটা আপনি খালি চোখে দেখতে পারবেন না।

প্রিয় পাঠক মশার রয়েছে প্রচন্ড ক্ষুধা অন্যান্য পোকামাকড় এবং সৃষ্টির সাথে তুলনা করলে মশা তাদের আকারের কয়েকগুণ বেশি খেতে পারে এবং পান করতে পারে। ইতিহাস বলে একটি খোড়া মশার হাতেই পৃথিবীর সবচেয়ে অহংকারী রাজা নমরুদের মৃত্যু হয়েছিল 

হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু তা'আলা হয় তো এ জন্যই বলেছিলেন যদি পৃথিবীর সমস্ত জীবিত প্রাণী একত্রিত হয় এবং তারা চেষ্টা করে একটি মশা তৈরি করতে কোশমিন কালেও তারা একটি মশা সৃষ্টি করতে পারবে না বরং এই মশা সৃষ্টি নৈপুণ্য দেখে তারা অবাক হয়ে যাবে এ কারণে আল্লাহ তাআলা অবিশ্বাসী কাফেরদেরকে বোঝানোর জন্য পবিত্র কোরআনে মশার মতো একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর উদাহরণ দিয়েছেন

নবীনতর পূর্বতন