বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ আকার জাহাজ টাইটানিক এর নির্মাতা আল্লাহকে চ্যালেঞ্জ করে কি বলেছিলেন? আর কেনই বা তিনি ইচ্ছে করেই বরফ খন্ডের সাথেই টাইটানিক জাহাজের সংঘর্ষ ঘটিয়েছিলেন কেন উচ্চাকাঙ্খা, দাম্ভিকতা আর অহংকারের নিদর্শন স্বরূপ টাইটানিকের ঘটনা বংশ পরিক্রমায় আজও মানুষের মুখে মুখে আলোচিত হয়ে যাচ্ছে মহান রাব্বুল আলামীন বিশ্ববাসীকে এই ঘটনার মাধ্যমে কি শিক্ষা দিচ্ছেন
বিস্তারিত জানতে শেষ পর্যন্ত পড়ুন টাইটানিক নির্মাণের পর সর্বপ্রথম লিভারপুল শহর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করে টাইটানিক ছাড়ার পূর্বমুহূর্তে লিভারপুলের একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে টাইটানিকের প্রধান নির্মাতাকে একজন প্রশ্ন করেছিলেন আচ্ছা এটাতো একটা জাহাজ এটি সমুদ্রের উপরে ভেসে চলবে আপনি কি মনে করেন না
যে এটি দুর্ঘটনাক্রমে এই জাহাজটি ডুবে যেতে পারে তখন জবাবে সেই নির্মাতা খিলখিল করে হেসে সাংবাদিককে উত্তরে বলেছিলেন আমার এই জাহাজ এতটাই মজবুত করে নির্মাণ করেছি যে সৃষ্টিকর্তা এই জাহাজকে ডুবাতে পারবেন না
যদি আপনি সেই সময়কার রেকর্ড ঘাটেন তাহলে হয়তো এই কথাটির সত্যতা আপনি অবশ্যই খুঁজে পাবেন এবং শুধু তাই নয় যে বিশাল আইসবার্গের সাথে ধাক্কা খেয়ে টাইটানিক জাহাজের ফাটল সৃষ্টি হয়েছিল তা আগে থেকেই জানতো জাহাজের নাবিক তারা জানত যে সামনে বিশাল বড় বরফের আইসবার্গ আছে কিন্তু তারপরেও তাদের টাইটানিক এর উপর এতটা ভরসা ছিল যে তারা আসন্ন বিপদকে উপেক্ষা করে তাদের জাহাজকে ইচ্ছে করেই সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়
তারা হয়তো জানতো না যে সবকিছু চলে মহান আল্লাহ তালার ইশারায় তারা ভেবেছিল সামান্য একটি বরফের আইসবার তাদের কি ক্ষতি করতে পারবে তাদের মনে এমন উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল যে যখন টাইটানিক এসব আইসবার্গের সামনে দিয়ে অতিক্রম করবে তখন তাদের এই জাহাজ সেই সমস্ত আইসবার গুলোকে টুকরো টুকরো করে সামনে এগিয়ে যাবে এবং এই দৃশ্যটি তারা দেখতে মরিয়া ছিল যদিও আইসবার কে ধাক্কা খাওয়ার পূর্বে সহকারি নাবিকরা ক্যাপ্টেন কে সতর্ক করে বলেছিলেন
যে এটি তাদের ক্ষতির কারণ হতে পারে জবাবে ক্যাপ্টেন তাদেরকে বলেছিলেন তোমরা কি কি শুনো নি আমাদের মালিক কি বলেছেন কোন চিন্তা করো না এই আইসবার্গের সাথে ধাক্কা লেগে আমাদের জাহাজের কোন ক্ষতি হবেনা বরং উল্টো আইসবার্গ ভেঙ্গে সমুদ্রে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে কিন্তু আমরা জানি, যেই না আইসবার্গের সাথে ধাক্কা লাগে তখন ঠিক সেই মুহূর্তে জাহাজের মধ্যে কেউ ঘুমিয়ে ছিল কেউ রান্না করছিল
কেউ প্রার্থনা করেছিল অথবা কেউ খাবার খাওয়াতে ব্যস্ত ছিল আর ঠিক সেই মুহূর্তে জাহাজের আইসবার্গের সাথে ধাক্কা লেগে প্রচন্ড শব্দ এবং কম্পনের সৃষ্টি হয় যেন সমুদ্রের উপরে চলমান টাইটানিক নামক ভুবনে কেয়ামত নাজিল হয়ে গিয়েছিল ক্যাপ্টেন কাঁপা কণ্ঠে ঘোষণা করলেন আমাদের জাহাজ ডুবতে চলেছে টাইটানিক সেই সময়কার সর্বোচ্চ টেকনোলজি দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এবং অহংকারী নির্মাতা মহান সৃষ্টিকর্তার থেকেও টেকনোলজির উপরেই বেশি পরিমাণে বিশ্বাসী ছিলেন
এ পৃথিবীতে আজ পর্যন্ত যে ব্যাক্তি আল্লাহ তায়ালার শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করেছে পরবর্তীতে আল্লাহ এমন পরিণতিতে নিমজ্জিত করেছেন যেটা মানুষের জন্য শিক্ষার একটি খোরাক হয়ে উপস্থিত হয় নমরুদ আল্লাহতালা কে ধ্বংস করার জন্য আসমানে বাহিনী পাঠিয়েছিল আর আল্লাহ তালা আসমান থেকে ছোট্ট একটি মাছি পাঠিয়ে নমরুদকে হত্যা করে বুঝিয়ে দিলেন আল্লাহ তায়ালার ক্ষমতা।
মহান রাব্বুল আলামীন ঘোষণা করেছেন অহংকার হচ্ছে আমার চাদর তাই যে ব্যক্তি এটি নিয়ে টানাটানি করবে তাকে আমি কঠোর শাস্তি দেবো (সহি মুসলিম)
Tags
বিনোদন
