শীতকালে দৈনিক একটি ডিম খেলে কি হয় প্রিয় পাঠক যে কয়েকটি খাবারকে সুপারফুড হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় তার মধ্যে ডিম অন্যতম ভিটামিন সহ অনেক পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ যার কারণে বিশেষজ্ঞরা ঠান্ডার দিনে ভিটামিন ডি এর অভাব পূরণের সুবিধার জন্য একটি ডিম শীতের সকালে বাধ্যতামূলক হওয়ার পরামর্শ দেয় কেন আমাদের
একটি ডিম অন্তত শীতকালে খাওয়া উচিত কেননা ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির বিকল্প কোন কিছু নেই
আর শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণ রাখতে পারলেই ভিতর থেকে গরম রাখতে পারলেই কিন্তু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। ডিম এই দুইটি জিনিস নিশ্চিত করতে কাজ করে, এক হচ্ছে রোগ-প্রতিরোধক্ষমতা
বাড়াবে এবং ভেতর থেকে আমাদের বডিকে ওয়ার্ম বা উষ্ণ রাখবেন এ জন্য এটাকে সুপারফুড বলা হয় অনেক স্বাস্থ্য সুবিধা থাকা সত্ত্বেও যারা নিরামিষ খাবার অনুসরণ করেন তারা ডিম খায় না তবে আপনি যদি এটি রোজ একটি করে খাদ্য তালিকা রাখেন তবে শীতকালে এটি আপনার জন্য ঔষধ হিসেবে কাজ করতে পারে তো জেনে নিন শীতে রোজ একটি ডিম খেলে কি কি সুবিধা আপনি পাবেন।
১ নম্বর হচ্ছে (ভিটামিন d) দিকিন ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট ফর ফিজিক্যাল অ্যাকটিভিটি এন্ড নিউট্রিশন এর গবেষকরা দেখেছেন
যে ঠান্ডা আবহাওয়ায় প্রতিদিন একটি ডিম খেলে শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পূরণ হতে পারে একটি ডিম খেলে শরীরে ভিটামিন ডি এর ঘাটতি পূরণ হয়ে যায় একটি ডিমে 8.2 এমসিজি ভিটামিন ডি থাকে যা 10 এমসিজি দৈনিক ভিটামিন ডি গ্রহণের 82% এই জন্য পুষ্টিবিদ্যা শীতকালে শিশু ও বৃদ্ধদের কে একটি ডিম খেতে বললেও যুবকদেরকে
দুটি ডিম খাওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করেন বেশিরভাগ মানুষ জানেন যে ডিমে প্রোটিন বেশি থাকে এবং একটি মাঝারি আকারের ডিমের 6 গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন থাকতে পারে প্রোটিন শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় যা শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় এর পাশাপাশি কি খেলে মাংস পেশির দুর্বলতা দূর হয়
গবেষণা বলছে শীতকালীন ডিমটা একটু বেশি খেলে শরীরে এইচডিএল কোলেস্টেরল এর মাত্রা বাড়তে সাহায্য করে এর ফলে রক্তের নোংরা এলডিএল কোলেস্টেরল অনেক কমে যাবে এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে যাবে এ ছাড়াও ডিমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকার কারণে জয়েন্ট পেইন টা অনেক কম থাকে শীতকালে আমাদের অনেকেরই হাঁটাচলা তে জয়েন পেইন হয় শিরশির করে শীরে অস্বস্তি বোধ হয় তো বাত এবং জয়েন্টের ব্যথার হাত থেকে মুক্তি দিতে দৈনিক একটি ডিম খাওয়া উচিত।
এছাড়া মস্তিষ্কের জন্য উপকারী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে ডিমে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড এবং কোলিন উচ্চ পরিমাণে পাওয়া যায় যা কোষ প্রাচীর গঠন করে এবং মস্তিষ্কে সংকেত করার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই শীতকালে অবশ্যই বেশি করে ডিম খাওয়া উচিত এছাড়াও ডিম চর্বিবিহীন প্রোটিন এর পাশাপাশি অ্যামিনো এসিডের একটি ভালো উৎস কম ক্যালরির কারণে এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে
অলসতা এবং ঠান্ডা আবহাওয়া আপনার ফিটনেস কে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে ডিম ডিমের প্রচুর পরিমাণে (ভিটামিন b6) ভিটামিন বি টুয়েলভ এবং জিংক থাকে এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ফ্লু এবং ঠাণ্ডার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
