স্যামসাং এত সফল হল কিভাবে



পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি স্যামসাং স্যামসাং বলতে আমরা সাধারণত ইলেকট্রনিক্স পণ্য এই বুঝি কিন্তু কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স এর বাহিরেও রিয়েল এস্টেট আর্থিক সেবা সামরিক সরঞ্জাম এবং জাহাজ নির্মাণ সহ স্যামসাং এর অধীনে প্রায় ৮০ টি বহুমুখী প্রতিষ্ঠান রয়েছে প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদনে একচ্ছত্র আধিপত্যের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী স্মার্টফোন সরবরাহের দিক থেকেও স্যামসাং শীর্ষে অবস্থান করছে স্যামসাং শুধু তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে এগিয়েই থাকে নি সেই সাথে নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তিপণ্যের ব্যবহারে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে বিশ্বের শীর্ষ বহুজাতিক কোম্পানির স্যামসাং কতটা বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের বিকাশে স্যামসাং কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে সেই সম্পর্কে আলোচনা করা হবে 

১৯৩৮ সালে লি বাইউং চুল নামের একজন ব্যবসায়ী দক্ষিণ কোরিয়ার দীঘ শহরে স্যামসাং প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কোরিয়ান ভাষায় স্যামসাং অর্থ ৩ তারকা এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে প্রতিষ্ঠানটি অনেক বড় এবং শক্তিশালী এছাড়া স্যামসাং এর প্রতিষ্ঠাতা লি বাইউং চেয়েছিলেন তার প্রতিষ্ঠান টি যেন আকাশের তারার মত চিরস্থায়ী হয় ১৯৯০ এর দশকে স্যামসাং একটি বৈশ্বিক ব্র্যান্ডে পরিণত হবার পর নতুন লোগো নিয়ে হাজির হয় এই লোগোর শুরুতে থাকা এস এবং শেষে থাকা জি অক্ষর দুটিতে খানিকটা খোলা অংশ রয়েছে এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে স্যামসাং একটি মুক্তমনা প্রতিষ্ঠান এবং তারা বহির্বিশ্বের সাথে সংযুক্ত থাকতে আগ্রহী স্যামসাং এর যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি মুদি পণ্য বেচাকেনা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রথমদিকে স্যামসাং শুধুমাত্র নুডুলস উৎপাদন করতো এরপর স্যামসাং চিনি পরিশোধন এবং ওলের সুতা তৈরির ব্যবসা করে সফলতা পায় ১৯৬০ সালে স্যামসাং গ্রুপ ইলেকট্রনিক্স শিল্পে প্রবেশ করে স্যামসাংয়ের প্রথম ইলেকট্রনিক্স পণ্যটি ছিল 12 ইঞ্চি সাদাকালো টেলিভিশন সেট ১৯৮৩ সালে উইন্ডোজ কম্পিউটার আসারও দুই বছর আগে স্যামসাং তাদের প্রথম কম্পিউটার নির্মাণ করেছিল পরবর্তীতে ১৯৯০ এর দশকের শুরুতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবসা সম্প্রসারণ করে 

স্যামসাং একটি আন্তর্জাতিক কর্পোরেশন হয়ে উঠতে শুরু করে ১৯৯২ সালে স্যামসাং বিশ্বের বৃহত্তম মেমোরি চিপ প্রস্তুতকারক কোম্পানি তে পরিণত হয় বর্তমানে আইফোন সহ বিশ্বের ৭০ ভাগ মোবাইলের স্যামসাং এর চিপ ব্যবহার করা হয় এমনকি আইফোন তৈরীর সরঞ্জাম সরবরাহকারী দের মধ্যে স্যামসাং অ্যাপল এর সবচেয়ে বড় অংশীদার ১৯৯৫ সালের স্যামসাং প্রথম লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে বা এলসিডি পর্দা তৈরি করেছিল এবং তার মাত্র দশ বছরের মাথায় ২০০৬ সালে স্যামসাং বিশ্বের সবচেয়ে বড় টেলিভিশন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পরিণত হয় এছাড়া বর্তমান বিশ্বের ৯৮ শতাংশ অ্যামোলেড ডিসপ্লে বাজারে স্যামসাং এর দখলে রয়েছে ২০১২ সালের সবচেয়ে বেশি মোবাইল ফোন বিক্রি করে বিশ্বের বৃহত্তম মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক হিসেবে উঠে আসে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স সারাবিশ্বে বিক্রি হওয়া প্রতি তিনটি স্মার্টফোনের একটি স্যামসাংয়ের তৈরি সে কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ স্মার্টফোন ব্যবসায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে স্যামসাং মোবাইল ফোনের নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করার দিক থেকে স্যামসাং বরাবরই সবার চেয়ে এগিয়ে থেকেছে 

পন্য
স্যামসাং সবার প্রথম যেসব প্রযুক্তি এবং প্রযুক্তি পণ্য বাজারে এনেছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে 
CDMA প্রযুক্তি
Digital Tv, 
Watch Phone 
এবং MP3 Phone

ফোন স্মার্টফোন ডিজাইনে নতুনত্ব আনতে স্যামসাং ইনফিনিটি ডিসপ্লে নামে বইয়ের মত ভাঁজ করার উপযোগী অসাধারণ একটি ডিসপ্লে প্রযুক্তি আবিষ্কার করে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০১৯ সালে স্যামসাং সর্বপ্রথম ভাঁজ করার উপযোগী স্মার্টফোন গ্যালাক্সি ফল্ড বাজারে এনে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল স্যামসাং গ্যালাক্সি ফল্ড উত্তরসরি হিসেবে স্যামসাং গ্যালাক্সি জেড সিরিজের হ্যান্ডসেটগুলো স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টফোনের ভাঁজ খুলে পাশাপাশি দুটি স্মার্টফোনের মতো চওড়া হয় যা স্মার্টফোনের বহুমুখী ব্যবহার এবং মাল্টিটাস্কিং কে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায় একই রকম ভাবে স্যামসাং Galaxy Z Flip স্মার্টফোন ব্যবহারের সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাই বদলে দিয়েছে এই ফোনগুলো ভাজ করলে সাধারন স্মার্টফোনের অর্ধেক আকারে পরিণত হয় আকর্ষণীয় ফোল্ডেবল ফর্ম ফ্যাক্টর ছাড়াও স্যামসাং গ্যালাক্সি জেড সিরিজে সর্বাধুনিক সকল হার্ডওয়ার ব্যবহার করা হয়েছে স্মার্টফোন উৎপাদনে অনবদ্য প্রযুক্তি এবং কারিগরি উৎকর্ষতার অপূর্ব

মেলবন্ধন এর কারণেই স্যামসাং বিশ্বব্যাপী শীর্ষ স্মার্টফোন ব্র্যান্ড এ পরিণত হয়েছে প্রযুক্তি খাতে অভূতপূর্ব উৎকর্ষতার কারণে স্যামসাং নামটি শুনলেই শুধু প্রযুক্তি পণ্যের কথাই আমাদের মাথায় আসে কিন্তু স্যামসাং আসলে প্রযুক্তিপণ্যের বাইরে আরও বহু ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে বর্তমানে ৮০টি দেশে স্যামসাংয়ের নানা ধরনের ব্যবসা রয়েছে samsung-এর বিভিন্ন ধরনের ব্যবসার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো স্যামসাং ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন, স্যামসাং ট্রেডিং এন্ড ইনভেস্টমেন্ট, স্যামসাং হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ, স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স, স্যামসাং ইলেকট্রো মেকানিক্স,টেকউইন,স্যামসাং মোবাইল ডিসপ্লে, স্যামসাং ডিজিটাল ইমেজিং,স্যামসাং ফাইন্যান্স এর মধ্যে আছে স্যামসাং লাইফ ইন্সুরেন্স, স্যামসাং সিকিউরিটিজ, ইনভেস্ট ট্রাস্ট ম্যানেজমেন্ট এবং ভেঞ্চার ইনভেস্টমেন্ট স্যামসাং পেট্রো কেমিকেল এবং স্যামসাং বিপি কেমিকেল নামে স্যামসাংয়ের দুটি কেমিক্যাল কোম্পানি রয়েছে শেরিল ইন্ডাস্ট্রিজ নামে স্যামসাংয়ের একটি মার্কেটিং কোম্পানি আছে এগুলোর বাইরে ও স্যামসাংয়ের হোটেল এন্ড রিসোর্ট বিজনেস, ইকোনোমিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট, লাইফ অ্যান্ড ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন নামে আলাদা
আলাদা প্রতিষ্ঠান রয়েছে এমনকি বিগত ২০ বছর ধরে যৌথ উদ্যোগে গাড়ি উৎপাদন করে আসতেছে 

আপনারা জেনে নিশ্চয়ই অবাক হবেন পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু দালান দুবাইয়ের বুর্জ খালিফা মালয়েশিয়ার পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার তাইওয়ানের তাইপে ১০১ সহ বহু আকাশচুম্বী অট্টালিকা নির্মাণ করেছে স্যামসাং বাংলাদেশের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণ করছে স্যামসাং কনস্ট্রাকশন কম্পানি স্যামসাংয়ের ব্রাঞ্চে সার্ভেইলেন্স অ্যারোনোটিকাল অটোমেশন এবং ওয়েপন টেকনোলজি নিয়ে কাজ করা হয় এসব প্রকল্পের অধীনে স্যামসাং বেশকিছু সামরিক প্রযুক্তি মিলিটারি রোবট মিলিটারি ট্যাঙ্ক এমনকি জেট ইঞ্জিন ও তৈরি করে। স্যামসাং হেভি ইন্ডাস্ট্রির অধীনে পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র টির মালিকানায় রয়েছে স্যামসাংয়ের এই জাহাজ নির্মাণ কেন্দ্র টি আয়তন প্রায় ২০৪ টি ফুটবল মাঠের আয়তনের সমান এখানে স্যামসাং বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় পণ্যবাহী জাহাজ তৈরি করে এমনকি স্যামসাং ফ্যাশন এবং FUBU নামে স্যামসাংয়ের তৈরি পোশাক ব্র্যান্ড আছে মাত্র ৪০ জন কর্মী নিয়ে স্যামসাং এর যাত্রা শুরু হয়েছিল আর বর্তমানের স্যামসাংয়ের প্রায় ৫ লক্ষ কর্মী রয়েছে যা গুগোল অ্যাপল এবং microsoft-এর সম্মিলিত কর্মীসংখ্যা চেয়েও অনেকবেশী বর্তমানে স্যামসাং একাই দক্ষিণ কোরিয়ার মোট জিডিপির ১৭% অর্জন করে এত বিশাল কোম্পানি পরিচালনার জন্য বিশাল জায়গা দরকার আর তাই দক্ষিণ কোরিয়ায় স্যামসাং ডিজিটাল সিটি নামে আলাদা একটি শহর ও আছে 

১৯৮০ দশক থেকেই স্যামসাংয়ের পণ্য বাংলাদেশের বাজারে আসতে শুরু করে এ দেশের মধ্যবিত্ত ভোক্তা শ্রেণীর কাছে ব্র্যান্ডটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর ২০০৬ সালে স্যামসাং বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করে বর্তমানে বাংলাদেশের হোম এপ্লায়েন্স এবং স্মার্টফোন বাজারের একটি বড় অংশ স্যামসাংয়ের দখলে রয়েছে স্যামসাং স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণেও অসামান্য অবদান রেখে চলেছে বিশ্বের মাত্র সাতটি দেশে স্যামসাংয়ের R&D বা রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট রয়েছে বাংলাদেশ সেই সাতটি দেশের মধ্যে একটি বাংলাদেশের স্যামসাংয়ের R&D ডিপার্টমেন্ট বিশ্বের অন্যান্য দেশের উন্নত প্রযুক্তি এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান কে স্থানীয় বাস্তবতায় কাজে লাগাচ্ছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা ইঞ্জিনিয়াররা স্যামসাংয়ের সাথে কাজ করার ফলে দেশের মেধাবী তরুণরা দেশে থেকেই বিশ্ব মানের প্রযুক্তি এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কর্মপরিবেশে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে 

এছাড়া স্যামসাং r&d ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের মেধা বিকাশের জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশের সেরা কোডিং জিনিয়াসদের খুঁজে বের করতে স্যামসাং কোডিং কনটেস্টের আয়োজন করেছে বর্তমানে স্যামসাং মেড ইন বাংলাদেশ হ্যান্ডসেটও তৈরি করছে বাংলাদেশের যত স্যামসাং মোবাইল ফোন বিক্রি হয় সেই সকল হ্যান্ডসেট বাংলাদেশেই তৈরি হয় শুধু তাই নয় স্যামসাং এ সিরিজ স্যামসাং এ সিরিজের মতো অত্যন্ত জটিল এবং মূল্য বান হ্যান্ডসেটগুলো এমনকি স্যামসাং গ্যালাক্সি জেড সিরিজ এর মত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ভাঁজ করার উপযোগী স্মার্টফোনগুলো বাংলাদেশ অ্যাসেম্বল করা হয় যা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের জন্য একটি গর্বের বিষয় স্যামসাং তাদের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন গুলো ছাড়াও সকল শ্রেণীর ভোক্তার কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ধরনের হ্যান্ডসেট তৈরি করে স্যামসাংয়ের বাজেট এবং মিডরেন্জ এর স্মার্টফোন গুলোতে কম দামে সেরা ফিচার দেয়ার কারণে সেগুলো বাংলাদেশের অনেক জনপ্রিয় ঠিক একই কারণে 2012 সালের পর রিলিজ হওয়া স্যামসাংয়ের ওয়াই সিরিজের হ্যান্ডসেটগুলো বাংলাদেশের বাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল সহজ ব্যবহারবান্ধব ফিচার এবং টেকসই ডিজাইনের কারণে বহু পুরনো জে সিরিজ এবং ওয়াই সিরিজের হ্যান্ডসেট গুলো এখনো অনেকেই ব্যবহার করছেন 

বাংলাদেশের মোবাইল হ্যান্ডসেট সেক্টরে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী সেরা পণ্য সরবরাহ করার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে স্যামসাং পরপর পাঁচবার বাংলাদেশ বেস্ট হ্যান্ডসেট ব্যান্ড হবার মর্যাদা লাভ করেছে স্যামসাং তাদের উৎপাদিত সকল পণ্যের টেকসই এবং বিশ্বাসযোগ্য তাকে অগ্রাধিকার দেয় ১৯৯৫ সালের স্যামসাং গ্রুপের চেয়ারম্যান লি কুন হি স্যামসাংয়ের উৎপাদিত সকল পণ্যের গুণগত মান নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না তাই তিনি দুই হাজার কর্মীকে জোর করে তাদের সামনে দেড়লক্ষ ফোন এবং ফ্যাক্স মেশিন ধ্বংস করে ফেলেন স্যামসাংয়ের কর্মীদেরকে মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনের গুরুত্ব বোঝাতে তিনি এই কাজটি করেছিলেন টেকসই পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী স্যামসাংয়ের নানা ধরনের ব্যবসা এবং প্রযুক্তিপণ্যের বাজারে শীর্ষস্থান দখলের অভিজ্ঞতায় মূলত স্যামসাংকে এতটা সকল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে আর সে কারণেই স্যামসাং দক্ষিণ কোরিয়ার একটি কোম্পানি হওয়া সত্বেও সারাবিশ্বের গ্রাহকের কাছে নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডে পরিণত হতে পেরেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন